সখীপুরে মাজরা পোকার আক্রমণে দিশেহারা কৃষক

প্রকাশিত: ২:৩৮ অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ২১, ২০২১

সখীপুরে মাজরা পোকার আক্রমণে দিশেহারা কৃষক

 

এম জাকির হোসেন:

সখীপুরে রোপা আমন ক্ষেতে পোকার আক্রমণ ও রোগ-বালাইয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন কৃষক। প্রতিষেধক প্রয়োগ করেও ফল না পাওয়ায় ফলন বিপর্যয়ের আশংকা করছেন তারা। এদিকে উপজেলা কৃষি অফিসের দাবি, তারা সবকিছু পর্যবেক্ষণ করছেন এবং পোকার আক্রমণে ক্ষতির আশঙ্কা তেমন নেই।

সখীপুর উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অফিস সূত্রে জান জানা গেছে, এবছরে উপজেলায় ১৬ হাজার ৫’শ হেক্টর জমিতে রোপা আমন ধান রোপণের লক্ষমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে উন্নত জাতের এরাইজেড গোল্ড, ধানী গোল্ডসহ উফসি ব্রি-৮৭, ৫১,৪৯ ৩৪, ৮০ জাতের ধান জমিতে চাষ করা হয়েছে। সম্ভাব্য উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে প্রায় ৭৯ হাজার ৭’শ ২৫ মেট্রিকটন।

 

উপজেলার বিভিন্ন গ্রামের মাঠে ধানক্ষেতে প্রায় দুই সপ্তাহ থেকে দেখা দিয়েছে মাজরা পোকার আক্রমণ। কীটনাশক দিয়েও পোকার আক্রমণ ও রোগ ঠেকাতে পারছেন না কৃষকরা।

 

গজারিয়া ইউনিয়নের র্কীত্তন খোলা গ্রামের চাষী জামাল হোসেন, দেলুয়ার হোসেন, আব্দুল আলী, কালিয়া ইউনিয়নের কচুয়া গ্রামের নজরুল মিয়াসহ আরো অনেকে জানান, অল্প সময়ের মধ্যে আমন খেতে মাজরা পোকার আক্রমণ শুরু হয়েছে। বাজার থেকে নামি কোম্পানীর কিটনাশক কিনে প্রয়োগ করেও কোনো ফল পাচ্ছেনা বলে চাষীরা জানান। এ অবস্থায় ফলন বিপর্যয়ের আশংকা করছেন তারা।

 

 

উপজেলার র্কীত্তন খোলা চৌরাস্তা গ্রামের আনোয়ার হোসেন ১৫ বিঘা আমন চাষ করেছেন। তিনি জানান, প্রতিটি খেতেই মাজরা পোকা লেগেছে। মাজরা দমনের জন্য বাজার থেকে নামি-দামি কোম্পানীর কিটনাশক কিনে বিক্রেতার পরামর্শ অনুযায়ি প্রয়োগ করেও কানো কাজ হয়নি বলে আনোয়ারের অভিযোগ। আনোয়ার হোসেন আরো বলেন এই ইউনিয়নে দায়িত্বরত উপসহকারি কৃষি কর্মকর্তা ওবায়দুল হক খাঁনের পরামর্শ অনুযায়ি প্রয়োগ করে কাজ হচ্ছে।

 

সখীপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা নিয়ন্তা বর্মন বলেন, এতে কৃষকদের উদ্বিগ্ন হবার কিছু নেই। ক্ষতিকর পোকা দমনে পার্চিং ও পরিমিত কীটনাশক ব্যবহারে মাঠপর্যায়ে কৃষকদের পরামর্শ দেয়া হচ্ছে। বর্তমানে যে অবস্থায় রয়েছে তা ফলনে তেমন প্রভাব ফেলবে না বলে জানান এই কৃষি কর্মকর্তা।

জাগো সখীপুর / এম